২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন বিডিআর-এর একটি উচ্ছৃঙ্খল দল প্রতিবাদের নামে বিদ্রোহ করে পিলখানায় এক কলঙ্কিত অধ্যায়ের সূচনা করে। নির্মম, নৃশংসতম এ হত্যাকাণ্ডে বিডিআর-এর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল শাকিল আহমেদ, সিলেটের বিডিআর সেক্টর কমান্ডার কর্নেল গুলজারসহ ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তা ও ১৭ জন বেসামরিক ব্যক্তিকে হত্যা করা হয়। এ হত্যাকাণ্ড নিয়ে ঘৃণ্য রাজনীতি চলে, চলে অপপ্রচার। তাই পিলখানা হত্যাকাণ্ডের বস্তুনিষ্ঠ প্রেক্ষাপট উপস্থাপন প্রয়োজন।

আওয়ামী লীগ সদ্য ক্ষমতা গ্রহণ করেছে। বিডিআর সদস্যদের নানা দাবি নিয়ে দীর্ঘদিনের ক্ষোভ ছিল, ডাল-ভাত কর্মসূচি ও নির্বাচনে দায়িত্ব পালনের জন্য প্রাপ্য টাকা নিয়ে অসন্তোষ ছিল। ২৪ জানুয়ারি ২০০৯, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিডিআর সপ্তাহ উদ্বোধন করেন। এ সময় বিডিআর সদস্যরা মূল তিনটি দাবিসহ ৬টি দাবি জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি দিতে চেয়েছিলেন। মেজর জেনারেল শাকিল আহমেদ জওয়ানদের বলেন, তিনি নিজেই প্রধানমন্ত্রীর কাছে তাদের দাবিদাওয়া উত্থাপন করবেন। ২৫ জানুয়ারি সকাল ৮টা ৫০ মিনিটে শাকিল আহমেদ দরবার হলের মঞ্চে এলে এ নিয়ে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। এক পর্যায়ে কাজল নামের একজন সৈনিক মহাপরিচালকের দিকে বন্দুক ধরেন। এ সময় এক অফিসার কাজলকে ধরে ফেললে সে জ্ঞান হারায়। গুজব ছড়িয়ে পড়ে শাকিল আহমেদ গুলি করে সৈনিক হত্যা করেছেন। খুব অল্প সময়ের মধ্যে সৈনিকরা অস্ত্রাগারের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে গুলিবর্ষণ ও ব্রাশফায়ার শুরু করে। সূচনা হয় বিদ্রোহের।

সেনা অভিযান নিয়ে প্রশ্ন
২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল সাড়ে ৯টার দিকে মেজর জেনারেল শাকিলের ফোন পেয়ে সেনাপ্রধান মইন ইউ আহমেদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ঘটনা সম্পর্কে অবহিত করেন। শেখ হাসিনা তাৎক্ষণিকভাবে সেনা অভিযানের অনুমতি দিয়ে প্রয়োজনীয় সকল ব্যবস্থা নিশ্চিত করার নির্দেশ দেন। সেনাপ্রধান জানান, সেনাদলের প্রস্তুতি গ্রহণ করতে কমপক্ষে দুই ঘণ্টা লাগবে। প্রধানমন্ত্রী তিন বাহিনী প্রধান, তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাহারা খাতুন ও পুলিশের আইজিপি নুর মোহম্মদকে ডেকে পাঠান। কয়েক দফায় বৈঠক করেন। বিদ্রোহে কতজন সেনা আহত বা নিহত হয়েছে, কে কী অবস্থায় আছে, কে বা কারা দোষী, কারা নির্দোষ, কারা নেতৃত্ব দিচ্ছে, কতজন নেতৃত্ব দিচ্ছে এসব কোনো তথ্যই জানার উপায় ছিল না। তাই তিনি সংশ্লিষ্ট এলাকার সাংসদ ফজলে নুর তাপস ও জাহাঙ্গীর কবির নানক এবং মির্জা আজমকে সামগ্রিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ, ভেতরের অবস্থা জানা ও সমঝোতা চেষ্টার দায়িত্ব দেন ।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে উপস্থিত বাহিনী প্রধানরা সবাই ভেতরের অবস্থা না বুঝে অভিযান পরিচালনা ঠিক হবে না বলে অভিমত ব্যক্ত করেন। বাহিনী প্রধানগণ বিডিআর হত্যাকাণ্ডের মামলার জবানবন্দিতেও একই ভাষ্য দিয়েছেন।

বিদ্রোহের সূচনালগ্নে প্রাথমিকভাবে বিডিআর-এর বিরুদ্ধে অভিযান দূরে থাক, আক্রমণ সামাল দেওয়ার মতো প্রস্তুতিও ছিল না। তাৎক্ষণিকভাবে সেনা আক্রমণ করা না হলেও ঝটিকা অভিযানের সর্বাত্মক প্রস্তুতি নিয়ে কৌশলগত অবস্থানে থাকতে বলা হয়েছিল। সকাল ১০টা ৪৫ থেকে ১১.৪০ এর মধ্যে ভারি বিমান বিধ্বংসী কামানসহ সৈন্যদল ও এয়ার ডিফেন্স আর্টিলারি ব্রিগেড নিউমার্কেট, সায়েন্স ল্যাব ও সাত মসজিদ রোডে মোতায়েন করা হয়।

সেনাবাহিনীর উপস্থিতি বুঝতে পেরেই বিডিআর বিদ্রোহীরা বেপরোয়াভাবে গুলিবর্ষণ শুরু করে। এতে চারজন সেনাসদস্য গুলিবিদ্ধ হন। মৃত্যু হয় দুজন পথচারীর। র‍্যাবের একটি দলকে পাঠানো হয়েছিল ৩ ও ৫ নং গেটে। বন্দিদের বর্তমান অবস্থা বুঝে বিদ্রোহীদের সঙ্গে কথা বলতে গেলে বৃষ্টির মতো গুলিবর্ষণ করা হয়। পিছু হটতে বাধ্য হয় র‍্যাবের দলটি। কয়েক দফা চেষ্টা করেও তাদের সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি।

শেখ হাসিনার বিচক্ষণ সিদ্ধান্ত
শেখ হাসিনা সকলের সঙ্গে আলোচনাক্রমে একদিকে অভিযান পরিচালনার প্রস্তুতি গ্রহণের নির্দেশ দেন। অন্যদিকে শান্তিপূর্ণ সমাধানের পথও উন্মুক্ত রাখেন। অভিযানের প্রস্তুতি হিসেবে অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে আর্টিলারি ব্রিগেড আবাহনীর মাঠ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা থেকে একযোগে কামানের গোলাবর্ষণ করে এবং নিজেরা নিরাপদ থেকে বিদ্রোহীদের প্রতিরোধ করার পরিকল্পনা করেন। পরিকল্পনা ছিল গোলাবর্ষণের মাধ্যমে নির্মূল করার পর আর্মড পারসোনাল ক্যারিয়ার প্রবেশ করবে। স্থানীয় প্রশাসনকে পিলখানার আশেপাশের ৩ কিলোমিটার এলাকার লোকজনকে সরিয়ে নেয়ার আদেশও দেওয়া হয়েছিল।

অভিযান পরিচালনার ঝুঁকি
পিলখানা এলাকাটি ২০-৩০ লাখ মানুষের ঘনবসতি এলাকা। এলাকা শূন্য না করে যুদ্ধক্ষেত্রের মতো হামলা করা যুক্তিযুক্ত হবে কিনা তা বিবেচ্য ছিল। বিবেচনায় রাখতে হয়েছিল নিহত ৫৭ জন ছাড়াও আটকে থাকা ৯০ জন কর্মকর্তা ও ৩০০ জন জিম্মির নিরাপত্তার পরিণতিও। সেনা আক্রমণ হতে পারে আশঙ্কা করে সৈনিকরা চারশো জিম্মিকে সম্মুখভাগে রেখেছিল যেন আক্রমণ হলে জিম্মিরা প্রথমে আক্রান্ত হন।

কৌশলী না হয়ে অভিযান পরিচালনা করা হলে কত ভয়াবহ রক্তপাত হতো তা অনেকেই বিবেচনায় আনেন না। অভিযান পরিচালনা না করাই যে যৌক্তিক ছিল তার প্রথম কারণ: ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হতো এবং জীবিতদেরও উদ্ধার করা সম্ভব হতো না। দ্বিতীয়ত, অভিযান পরিচালনা করা হলে কন্সপিরেসি থিওরি হিসেবে বলা হতো- মূল হোতাদের আড়াল করতে এ অভিযান চালানো হয়েছে।

সকাল ১০টার পর থেকে নিহত কারও মোবাইল সক্রিয় ছিল না। লাশের ময়নাতদন্ত রিপোর্ট পর্যালোচনা করে দেখা যায়, প্রায় সকলেই একই সময় (আনুমানিক ৯-৩০ থেকে ১০টায়) নিহত হয়েছিলেন। শুধু মিসেস শাকিলসহ কয়েকজন কর্মকর্তা ও বেসামরিক ব্যক্তি কয়েক ঘণ্টা পরে নিহত হন।
অর্থাৎ, অভিযান পরিচালনা করলে ক্ষয়ক্ষতি বৃদ্ধি ছাড়া কমত না। এছাড়া সকল সীমান্তে বিদ্রোহ ছড়িয়ে পড়তো ব্যাপকভাবে।

রাজনীতিবিদ ও গণমাধ্যমের ভূমিকা
পিলখানা হত্যাকাণ্ডে কয়েকটি গণমাধ্যম দায়িত্বহীনতার পরিচয় দিয়েছিল এ কথা বলতে দ্বিধা নেই। বিডিআর-এর সাবেক মহাপরিচালক ফজলুর রহমান সাক্ষাৎকারে বিডিআর সদস্যদের দাবির প্রতি সমর্থন জানিয়ে সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে অভিমত প্রকাশ করেছিলেন। এনটিভির শাহেদ আলম, দিগন্ত টিভিসহ কয়েকটি গণমাধ্যম বিদ্রোহীদের প্রতি সহানুভূতি দেখিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করে। ফলে রৌমারিসহ দেশের অন্যান্য বিডিআর ক্যাম্পেও উত্তেজনা সৃষ্টি হয় এবং কয়েকটি ক্যাম্পে সেনা কর্মকর্তাদের জিম্মি করা হয়। এ ঘটনায় বিরোধী দলীয় রাজনীতিবিদরাও দায়িত্বশীল মন্তব্য করতে ব্যর্থ হন।

শেখ হাসিনার কঠোর নির্দেশের ফলাফল
২৫ ফেব্রুয়ারি কঠোর ভাষায় বিদ্রোহীদের আত্মসমর্পণের আহ্বান জানান শেখ হাসিনা। বিদ্রোহীরা প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে সাধারণ ক্ষমার নিশ্চয়তা চান। অতঃপর প্রধানমন্ত্রীর দফতরে সিদ্ধান্ত হয়, মহিলা ও শিশুসহ বেসামরিক জিম্মিদের তাৎক্ষণিকভাবে ছেড়ে দিতে হবে, রাতের মধ্যেই অস্ত্র সমর্পণ করতে হবে এবং আটক সেনা কর্মকর্তাদের অক্ষত অবস্থায় মুক্তি দিতে হবে।

অস্ত্র সমর্পণ ও জিম্মি উদ্ধার
সন্ধ্যার দিকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাহারা খাতুন নিজেই অস্ত্র সমর্পণ ও জিম্মি উদ্ধার পর্যবেক্ষণ করতে পিলখানার ভেতরে যান। পুলিশের আইজিপি নুর মোহম্মদ তার সঙ্গে ছিলেন কারণ তার জামাতাও ভেতরে ছিলেন। সেই রাতে বেশ কিছু সৈনিক অস্ত্র সমর্পণ করলেও শহীদুলের নেতৃত্বে একটি উগ্র দল সাধারণ ক্ষমা প্রত্যাখ্যান করে বিদ্রোহ চালিয়ে যেতে চেয়েছিল।

নিহতদের সকলের লাশ সুয়ারেজ ম্যানহোলে ফেলে সাধারণ বিদ্রোহীদের হত্যা করার গোপন পরিকল্পনাও ছিল তাদের। কিন্তু পানির চাপে কয়েকটি লাশ কামরাঙ্গিচর খালে ভেসে উঠলে পরিকল্পনা ভেস্তে যায়। পিলখানার পশ্চিমদিকের নিয়ন্ত্রণে ছিল খুনিদের হাতে। সাধারণ বিদ্রোহীদের তারা কিছুই বুঝতে দেয়নি।

বিদ্রোহের অবসান
২৯ ঘণ্টা পর বিদ্রোহের অবসান হয়। কর্নেল কামরুজ্জামানসহ জিম্মি ৯০ জন সেনাকর্মকর্তা ও কর্মকর্তাদের পরিবার পরিজনসহ ৩০০ জন বেসামরিক ব্যক্তিকে জীবিত উদ্ধার করে আনা হয়। অস্ত্র সমর্পণ শেষ করে সকল স্থাপনার নিয়ন্ত্রণ আর্মড পুলিশ ব্যাটেলিয়নের হাতে এলে বিদ্রোহের সমাপ্তি হয়। কোনো সহিংসতা ও রক্তপাত ছাড়াই সার্বিক পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে চলে আসে। হাজার হাজার বিদ্রোহী পালিয়ে যাওয়ার গুজব ছড়ালেও তালিকা তৈরির পর দেখা যায় পলাতকের সংখ্যা ছিল ১৯ জন।

সীমাবদ্ধতা কী ছিল
প্রধানমন্ত্রীর কড়া হুঁশিয়ারি দেওয়া ভাষণের পরপরই বিদ্রোহীরা দ্রুত অস্ত্র সমর্পণ শুরু করে। সার্বিক বিবেচনায় বিদ্রোহ দমন ও নিয়ন্ত্রণ প্রক্রিয়ায় কোনো ব্যর্থতা ছিল না। কোনো রক্তপাত ছাড়াই আলোচনার মাধ্যমে জিম্মিদের ছাড়িয়ে আনা ও শান্তিপূর্ণভাবে অস্ত্র সমর্পণের উদাহরণ পৃথিবীতে কম রয়েছে। তবে গোয়েন্দা ব্যর্থতা ছিল তা বলার অপেক্ষা রাখে না। ২৪ তারিখ থেকে অসন্তোষ বিরাজ করছিল। উগ্রপন্থী একটি দল রাতে বিদ্রোহ সৃষ্টিতে লিফলেট বিতরণ করেছিল। কিন্তু অন্যান্য গোয়েন্দা সংস্থার পাশাপাশি বিজিবির নিজস্ব গোয়েন্দা সংস্থাও এমন নৃশংস ঘটনা হতে পারে এই মর্মে কোনো সতর্কতা জানাননি। ধারণা করা হয় এটিকে দাবিদাওয়া পেশের সাধারণ প্রক্রিয়া ভেবে শঙ্কা মনে করা হয়নি।

কোনো বহিঃশক্তির সংশ্লিষ্টতা কি ছিল
রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা খুঁজলে এ ঘটনায় সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে আওয়ামী লীগ। আওয়ামী লীগ অভিহিত করা তোরাব আলীর কথা বলা হয়। তার মূল পরিচিতি তিনি সাবেক বিডিআর সদস্য। তাই দলের চেয়ে সহকর্মিদের প্রতি সহানুভূতি থাকা স্বাভাবিক। কিন্তু নাসির উদ্দিন পিন্টুর উদ্দেশ রাজনীতির বাইরে ছিল না- এমন অনুমান করা অমূলক নয়। অন্যদিকে স্থানীয় সংসদ সদস্য ও সরকার দলীয় সদস্য হিসেবে নানক ও ব্যারিস্টার তাপসের উপস্থিতি নিয়ে যদি প্রশ্ন ওঠে, তাহলে বিডিআর হত্যাকাণ্ডে সুরক্ষিত থাকা ও পরবর্তীতে বিএনপির সংসদ সদস্য প্রার্থী হওয়া কর্নেল কামরুজ্জামান সন্দেহের ঊর্ধ্বে থাকতে পারেন না। উস্কানি ও সন্দেহের প্রশ্ন তোলা হলে তা বিএনপি জামায়াতের দিকেই বেশি যায়। তাছাড়া খুনিদের পক্ষের আইনজীবীদের প্রায় সকলেই কেন বিএনপি-জামায়াত সংশ্লিষ্ট, এমন কি দলের নীতি নির্ধারণী পর্যায়ের- তাও প্রশ্নের ঊর্ধ্বে নয়। এছাড়া আওয়ামী লীগ সদ্য ক্ষমতা গ্রহণ করলেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও প্রশাসনের কোনো স্তরেই তখনও কোনো ধরণের পরিবর্তন হয়নি।

প্রকৃতপক্ষে কোনো রাজনৈতিক দল বা গোষ্ঠীর সংশ্লিষ্টতা ছিল কিনা তা নিয়ে নির্ভরযোগ্য কোনো তথ্যপ্রমাণ নেই। এটি হতে পারে সাধারণ দাবি দাওয়া থেকে সৃষ্ট উগ্রপন্থার বহিঃপ্রকাশ। হতে পারে উস্কানি দিয়ে সাধারণ আন্দোলনকে হত্যাকাণ্ডে পরিণত করা হয়েছে। কিন্তু মোটের উপর এটাই সত্য যে, নৃশংস ও মর্মান্তিক এ হত্যাকাণ্ডে ৫৭ জন দক্ষ, মেধাবী ও চৌকস কর্মকর্তা হারানোর ক্ষতি দেশের জন্য অপূরণীয়।

লেখক: রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক ও বিশ্লেষক
সূত্র: সারাবাংলা